Home / টিপস / ওজন কমাতে মৌসুমি ফল

ওজন কমাতে মৌসুমি ফল

ওজন কমাতে কম চর্বি ও ক্যালরি যুক্ত খাবারের পাশাপাশি ফলও রাখুন প্রতিদিনের তালিকাতে। নিয়মিত শরীরচর্চা- যোগ ব্যায়াম, জিম করা বা সাধারণভাবে সকালে হাঁটাচলা করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এজন্য পরিকল্পিত ডায়েট করাও সমান দরকারি। খাবারে মৌসুমি ফল যোগ করলে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা পূরণ হয়।

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এমন কয়েকটি ফল সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হল।

আঁশ সমৃদ্ধ ফল হজমে সহায়তা করে ও নিয়মিত আঁশালো ফলাহার পেটের ফোলাভাব কমায় তাই খাবারে বা নাস্তা হিসেবে ফল খাওয়া উপকারী।

আপেল: আপেল পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ এক মজাদার ফল। লোহিত রক্ত কণিকা বৃদ্ধিতে উপকারি ভিটামিন বি থেকে শুরু করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পর্যন্ত সকল উপাদান যা, অসুখের বিরুদ্ধে কাজ করে তার সবই পাওয়া যায় আপেলে। এ ফল কম ক্যালরি ও উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ যা ওজন কমাতে সহায়তা করে। নিয়মিত আপেল খাওয়া ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি, কোলেস্টেরলের মাত্রা ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। মস্তিষ্ক শাণিত করে ও হাঁপানির বিরুদ্ধে কাজ করে।

নাশপাতি: নাশপাতি কেবল ভিটামিন সি ও কে সমৃদ্ধই নয় বরং এটা উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ। আঁশ হজমে সহায়তা করে, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। পাশাপাশি এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। চর্বি ও কোলেস্টেরল নেই। তাই ওজন কমাতেও সহায়তা করে।

কমলা: ক্যালরি কম ও উচ্চ ভিটামিন সি ও আঁশ সমৃদ্ধ। ফলের রস খাওয়ার চেয়ে গোটা ফল খাওয়া ভালো। কারণ এটা কম ক্যালরি সরবারহ করে ও পেট ভরা ভাব রাখে। ওজন কমাতে চাইলে কমলার রস খাওয়ার চেয়ে গোটা কমলা খাওয়া বেশি উপকারি।

দই: দই উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার ভালো উৎস এবং এটা হজমে সহায়তা করে। পানির সঙ্গে দই মিশিয়ে পানীয় তৈরি করতে পারেন। এতে ভাজা জিরা ও বিট লবণ মিশিয়ে স্বাদ বাড়াতে পারেন। চাইলে এত আপেলও যোগ করে নিতে পারেন।

ভেষজ চা: ভেষজ চা নানা ওষধি গুণ সম্পন্ন গাছ পাতা দিয়ে তৈরি। এগুলো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান সমৃদ্ধ। ভেষজ চা হজমে সাহায্য করে ও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমায়। ভেষজ উপাদানের মধ্য আদা, পুদিনা, ক্যামোমাইল ও লেবু উল্লেখ্যযোগ্য।

মৌরি বীজ: গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমাতে উপকারী। ভারতে সাধারণত খাবারের পরে হজমক্রিয়া বাড়াতে মৌরি খাওয়া হয়। এতে আছে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদ যৌগ যা গ্যাস্ট্রিকের রস নিঃসরণে সহায়তা করে, খাবার হজমে সহায়তা করে, বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণ দূর করতে সহায়তা করে।